বুধবার, ০১ Jul ২০২৬, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

ইন্দোনেশিয়ায় বাড়ছে সব ধরনের জ্বালানির দাম

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়ায়ও শিগগিরই বাড়তে যাচ্ছে সব ধরনের জ্বালানির দাম। দেশবাসীকে আসন্ন এ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার বিনিয়োগমন্ত্রী বাহলিল লাহাদালিয়া।

শুক্রবার রাজধানী জাকার্তায় এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের অর্থনীতির অবস্থা ভালো নয়। প্রতিদিনই সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। বর্তমানে জ্বালানি খাতে আমরা ২৫ শতাংশ ভর্তুকি দিচ্ছি, কিন্তু তারপরও অভ্যন্তরীণ বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না’।

ইন্দোনেশিয়ার অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতি বছর এ খাতে ৫০২ ট্রিলিয়ন রুপিহা (ইন্দোনেশীয় মুদ্রা) বা ৩৪ দশমিক ২২ মিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দেয় সরকার। কিন্তু করোনা মহামারির ২ বছরে বিশ্বের উন্নয়নশীল অন্যান্য দেশের মতো ইন্দোনেশিয়ার অর্থনীতিও ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। সেই সঙ্গে ডলারের বিপরীতে ব্যাপকভাবে কমেছে রুপিহার দাম।

এ কারণে পূর্বের ধারা অনুযায়ী যদি ভর্তুকি অব্যাহত রাখা হয়, সেক্ষেত্রে দেশটির মুদ্রার বর্তমান মানদণ্ডে তার পরিমাণ ৬০০ ট্রিলিয়ন রুপিহায় উন্নীত করতে হবে।

কিন্তু ৫০২ ট্রিলিয়ন থেকে হঠাৎ করে প্রায় ১০০ ট্রিলিয়ন রুপিহা ভর্তুকি বাড়ানো হলে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

শুক্রবারের সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি স্বীকার করে বাহলিল লাহাদালিয়া বলেন, ‘বর্তমানে যে পরিস্থিতি, তাতে ভর্তুকি আরও বাড়ানো তো দূর- দীর্ঘদিন যদি এই হার বজায় রাখলেও অর্থনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে’।

তিনি বলেন, ‘জ্বালানির দাম বাড়ানো ছাড়া আপাতত আর কোনো পথ নেই। জনগণের উদ্দেশে সরকারের পক্ষ থেকে আমার আন্তরিক আহ্বান, আসুন আমরা আরেকবার দেশের অর্থনীতিকে পুনর্গঠনে ঐক্যবদ্ধ হই’।

প্রসঙ্গত, ইন্দোনেশিয়ার জ্বালানির বাজারে সরকারি ও বেসরকারি- দুই ধরনের বিক্রেতা রয়েছে। ভর্তুকির কারণে সরকারি বিক্রয়কেন্দ্রগুলোতে অপেক্ষাকৃত কম দামে জ্বালানি বিক্রি হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com